সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়ের করা এক মামলাকে কেন্দ্র করে নতুন অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারী পক্ষের দাবি, সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বালিডাঙ্গা খানপুর এলাকার বাসিন্দা শামসুর রহমান এর স্ত্রী জেসমিন খাতুন, বিশ্বজিৎ দত্ত সহ আরও চার জন কে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাদের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন।
মামলা সূত্রে জানা যায় , বাগেরহাট জেলার মোংলা শেহলাবুনিয়ার মৃত আশুতোষ মন্ডলের ছেলে বিশ্বজিৎ দত্ত, মৃত খন্দকার আফতাব হোসেনের ছেলে খন্দকার নুর আহম্মদ তারিক,মৃত হারেজ তালুকদারের ছেলে ছবুর তালুকদার,মৃত রেদোয়ানের ছেলে আরিফুল গত ১৭ মে রাত ৮ টায় সাতক্ষীরা সদর থানাধীন খানপুর উত্তর পাড়ার বাসিন্দা সামছুর রহমানের বসত ঘরে প্রবেশ করে তার স্ত্রী জেসমিন খাতুন কে হত্যার উদ্দেশ্যে মারধর ও ঘরের ভিতর হতে নগত ২ লক্ষ টাকা ও ২ ভরি স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নিয়ে যায় ও তাকে ঘরের মেঝেতে ফেলে স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিয়ে শ্লীলতাহানী ঘটায় পরবর্তীতে জেসমিন খাতুন ২০ মে সাতক্ষীরা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালত ১,সাতক্ষীরা সদর কোর্টে মামলা দায়ের করেন। যার সিআর মামলা নং ৫৯৯/২৬ এবং এই প্রতারক চক্রের লোক আসামিদের মামলার বিষয়ে ভয় ভীতি দিয়ে অর্থ দাবি করতে থাকে।
সরজমিনে জানাযায় সামছুর রহমান ও তার স্ত্রী হয়রানি মূলক ভাবে অর্থ আত্মসাতের উদ্দেশ্যে মামলাটি দায়ের করেন। আরো জানা যায় মামলার স্বাক্ষী গন এই মামলার বিষয়ে কিছুই জানে না।তাদের কে মিথ্যা সাক্ষী দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। গ্রামের আশপাশের বাসিন্দারা এই মামলার বিষয়ে কিছুই জানে না।
সাংবাদিকদের সামনে জেসমিনের স্বামী সামসুর রহমান একপর্যায়ে স্বীকার করেন,
ঐ দিন এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি, মামলাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, তিনি মামলাটি তুলে নিবেন।
পরবর্তীতে ২৫ জুন তিনি মামলাটি তুলে নেন।
অভিযোগকারীরা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন মামলা করে অভিযুক্ত পক্ষকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করার পাশাপাশি আর্থিক সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করেছেন। এতে অভিযুক্তরা মানসিক, সামাজিক ও আর্থিক ক্ষতির শিকার হয়েছেন। অভিযুক্ত পক্ষ প্রশাসনের কাছে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে দাবী জানিয়েছেন।